Author

Topic: বাংলা (Bengali) - page 491. (Read 5737747 times)

newbie
Activity: 280
Merit: 0
October 09, 2018, 12:34:02 PM
ক্রিপ্টোকারেন্সি ট্রেডিং হল সাধারনভাবে ক্রিপ্টোকারেন্সির লেনদেনে ট্রেড করা। ফরেক্সের মত এখানেও আপনি বিটকয়েন, লাইটকয়েন-এ বাই এবং সেল করতে পারবেন। মাইনিং করা ব্যতিত, ক্রিপ্টো ট্রেডিং করার মধ্যমেই আপনি ক্রিপ্টোকারেন্সির দুনিয়ায় সম্পৃক্ত হতে পারবেন।

ক্রিপ্টোকারেন্সির প্রকারভেদ :

বিটকয়েন :

২০০৯ সালে বিটকয়েনের যাত্রা শুরু, যা এখন পৃথিবীর সবথেকে জনপ্রিয় ক্রিপ্টোকারেন্সি। বিটকয়েন পিয়ার-টু-পিয়ার টেকনোলজির মাধ্যমে পৃথিবীর কোন সেন্ট্রাল ব্যাংক তথা প্রতিষ্ঠানের নজরদারি ও পরিচালনা ছাড়া সম্পূর্ন বিকেন্দ্রীভূত ভাবে পরিচালিত হয়। এর আসল উপাদান হল ব্লকচেইন, যা হল এর ব্যবহারকারীদের সকল লেনদেনের ডিজিটাল লেজার বা খতিয়ান।

লাইটকয়েন :

২০১১ সালে বিটকয়েনের মতই লাইটকয়েন তৈরী হয়, তবে এর লেনদেন আরো দ্রুততর। এর আছে পৃথকীভূত উইটনেস এবং লাইটনিং নেটওয়ার্ক সহ আরো নানা সুবিধা যা একে দিন দিন আরো জনপ্রিয় করে তুলছে।



ইথেরিয়াম :

২০১৩ সালে ইথেরিয়াম চালু হলেও, জনপ্রিয়তায় ইহা লাইটকয়েনকেও ছাড়িয়ে গিয়েছে। বর্তমানে বিটকয়েনের পরে, ইথেরিয়ামই সর্বাধিক ব্যবহৃত ক্রিপ্টোকারেন্সি। ইথেরিয়ামের লেনদেনও অধিক দ্রুততর। এতে আছে স্মার্ট কন্টাক্ট সুবিধা সহ "যদি-অতঃপর" চুক্তির ব্যবস্থা।
newbie
Activity: 210
Merit: 0
October 09, 2018, 04:19:29 AM
বিটকয়েন কোন অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান বা নিয়ন্ত্রনকারী প্রতিষ্ঠান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় না, কোন কেন্দ্রীয় ব্যাংকও এটির নিয়ন্ত্রন করে না বা নিয়ন্ত্রন করার প্রয়োজন পরে না।

বিটকয়েন ধারনাটি প্রথম ২০০৮ সালে ডিজিটাল কারেন্সী (পিয়ার টু পিয়ার মূদ্রা) হিসাবে অনলাইনে আর্বিভূত হয়।এবং ৯ জানুয়ারী ২০০৯ সালে এটি আত্নপ্রকাশ করে।

বিটকয়েনের আবিষ্কারক হলেন সাতোসি নাকামোতো। ১৯৭৫ সালের ৫ এপ্রিল সাতোসি নাকামোতোর জন্ম।তিনি একজন জাপানী নাগরিক।তিনি ক্রিপটোগ্রাফী, ডিজিটাল কারেন্সী এবং কম্পিউটার সাইন্স নিয়ে লেখাপড়া করেছেন।

বিটকয়েন একটি সুরক্ষিত সার্ভারের মাধ্যমে মাইনিং প্রকৃয়ায় উৎপন্ন এবং সংরক্ষিত হয়।প্রতি চার বৎসর অন্তর অন্তর উৎপাদিত বিটকয়েন অর্ধেকে নামিয়ে আনা হয় অথবা বিটকয়েনের সংখ্যা পুন:নির্ধারন করা হয় প্রচলিত মূদ্রার মানের সাথে সামঞ্জস্য রাখার জন্য এবং একটা নির্দ্দিষ্ট পরিমান বিটকয়েন তৈরী হয়ে গেলে আর কোন নতুন মাইনিং বা উৎপাদন করা হবে না।মজার ব্যাপার হলো, বিটকয়েন মাইনিং এর মাধ্যমে যে কেউ বিটকয়েন উৎপাদন করতে পারবে। বিটকয়েন উৎপাদনের প্রাথমিক ধাপ হলো সাতোসি উৎপাদন করা।১০,০০,০০,০০০(দশ কৌটি)সাতোসি = ১ বিটকয়েন।

বিটকয়েনের জনপ্রিয়তা এবং ব্যাবহার এতই দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে, যার সাথে পাল্লা দিয়ে অন্যকোন কারেন্সী দাড়াতে পারছে না। গত ২০১৬ সালের জানুয়ারী মাসে এক বিটকয়েনের মূল্য ছিলো ৪২০ ডলার তা এখন বেড়ে দাড়িয়েছে ৬,৫৮৮.৭৯ ডলারের মতো।এটি বর্তমানে স্বর্ণের চাইতেও দামী, বর্তমানে এক ভরি স্বর্ণের দাম ৪২,০০০টাকা (প্রায়)বাংলাদেশের বাজার মূল্য অনুযায়ী। বিশ্ব অর্থনীতিবিদগণ আশংকা করছেন, ২০১৮ সালের ডিসেম্বর নাগাদ এর মূল্য ৭,০০০ ডলারে উন্নিত হতে পারে। গুগলে btc to usd লিখে সার্চ দিলে প্রতিদিনকার আপডেট রেইট পাওয়া যাবে।বিটকয়েনের কোন নিয়ন্ত্রক না থাকায় এর ব্যাবহার আশংঙ্কাজনক ভাবে অর্থ-পাচারকারী, চোরাকারবারী এবং অবৈধ মাদক ব্যাবসায়ীদের মধ্যে দ্রুত প্রসার লাভ করছে।নিয়ন্ত্রনহীনতার কারনে, এটির মাঝে মাঝে মারাত্নকভাবে দরপতন ঘটে আবার দরের উর্ধ্বমূখী অবস্থান হয়ে যায়।মাঝে মাঝে আবার এটি দুষ্প্রাপ্যও হয়ে উঠে।

 এসব কারনে বিটকয়েন আলোচিত এবং সমালোচিত বিশ্ব-অর্থনীতিতে। অতি সম্প্রতি কানাডা এবং আমেরিকা সরকার অর্থ-পাচারকারী, চোরাকারবারী এবং অবৈধ মাদক ব্যাবসায়ীদের নিয়ন্ত্রনের লক্ষ্যে, বিটকয়েন ব্যাবহারকারীদের নিবন্ধনের আওতায় আনার চিন্তা ভাবনা করছে।

কানাডায় বিশ্বের প্রথম বিটকয়েন এটিএম বুথ চালু করা হয়। বিটকয়েনের জনপ্রিয়তা দেখে, আরও কিছু কারেন্সী বাজারে আত্নপ্রকাশ করেছে। যেমন: ইথিরাম, সুইসকয়েন, লাইটকয়েন, ডগিকয়েন ইত্যাদি। তবে এগুলো মূল্যের দিক দিয়ে, বিটকয়েনের ধারে কাছেও ঘেষতে পারে নাই।
member
Activity: 392
Merit: 10
DeepOnion, a new dream.
October 08, 2018, 02:08:37 PM
newbie
Activity: 210
Merit: 0
October 08, 2018, 11:45:43 AM
আসুন আমরা সবাই অতি সহজে কিছু মূল্যবান তথ্য জেনে নেই।

 ক্রিপ্টোকয়েন কি?কেন সবাই এর প্রতি ঝুকছে?

ক্রিপ্টোকয়েন হল ডিজিটাল কারেন্সি।এই কয়েন কোন সরকার উৎপাদন করে না। হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার এর মাধ্যমে ইন্টারনেটে মাইনিং করে এই কারেন্সি উৎপাদন হয়। ব্লকচেইন, এলগরিদম, ক্রিপ্টো গ্রাফি দিয়ে এই মাইনিং সম্পন্ন হয়ে থাকে। এর বিনিময়ে মাইনাররা টাকা নেয়।যদিও তা অতি সামান্য।

মার্কেটে সব থেকে প্রচলিত কয়েকটি ক্রিপ্টো কারেন্সিঃ

বিটকয়েন,ইথারিয়াম,রিফিল,লাইট কয়েন, ডগি কয়েন,ড্যাস


সাধারন মুদ্রার মত এইটার নিয়ন্ত্রণ কোন সরকার বা কেন্দ্রীয় ব্যাংক করে না। এইটার প্রাইস নির্ভর করে মার্কেট ক্যাপিটাল ও ট্রেড ভলিউম এর উপর। অন্যান্য মুদ্রার সাথে আরেকটি পার্থক্য আছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক চাইলেই যে কোন মুদ্রা নতুন টাকা ছাপাতে পারে। কিন্তু ক্রিপ্টো কয়েন এর সীমাবদ্ধতা আছে। যেমন বিট কয়েন ২১ মিলিয়ন কয়েনের পর আর জেনারেট করতে পারবে না। বাজারে অনেক ক্রিপ্টো কারেন্সি আছে। সব গুলাই সমান লাভজনক না। তবে কিছু কিছু অতি লাভজনক ।

২০১০ সালের জুলাই তে  বিট কয়েন রেট ছিল ০.০৬ ডলার

২০১১ সালের জুনে ২২ ডলার

২০১২ সালের জুনে ৬.৫৬ ডলার

২০১৩ সালের জুনে ১০৭.৭৮ ডলার

২০১৪ সালের জুনে ৬০৫ ডলার

২০১৫ সালের জুনে ২৩০ ডলার

২০১৬ সালের জুনে ৬৬৫ ডলার

২০১৭ এর জুনে ২৫৯১ ডলার

২০১৭ সালের ডিসেম্বরে ১৪৮৯১ ডলার

তাহলে আপনি যদি ২০১২ সালে অন্তত ১০ বিট কয়েন ৬৫ ডলার দিয়ে কিনে রাখতেন এখন তার ভ্যালু হত ১ লক্ষ্ ৪৮ হাজার ডলার।

অনেকেই কোন স্টাডি না করেই ক্রিপ্টো কারেন্সি কিনছেন। কিন্তু সব গুলা কিন্তু সমান না।

বিটকয়েন এখন মার্কেট এর রাজা। কেনা লাভজনক কিন্তু অনেক ব্যায়বহুল।
newbie
Activity: 280
Merit: 0
October 08, 2018, 10:48:24 AM
অনেকেই এখন  ভাবেন যে, এই ব্লকচেইন আবার কি ? তাহলে চলুন ব্লক চেইন নিয়ে একটু আলোচনা করা যাক।

ব্লকচেইন কি?

মোটামুটি নির্দিষ্ট একটি সময়ের মধ্যে সারা পৃথিবী জুড়ে যত অর্থের বা সম্পদের লেনদেন হচ্ছে সেই লেনদেনের সকল এনক্রিপটেড তথ্য একসাথে নিয়ে একটা ব্লক বানানো হয়। সেই ব্লক দিয়ে ক্রমানুসারে সাজানো সম্পূর্ণ অপরিবর্তনীয় একটা ডিস্ট্রিবিউটেড এবং ডিসেন্ট্রালাইজড লেজারকেই মূলত ব্লকচেইন বলা হয়। কেমন যেন ঘোলাটে লাগছে সব কিছু, তাইনা! বিটকয়েন কে আমরা এখন অনেকেই চিনি। এখানে আমরা যে ব্লক চেইনের কথা বলছি তার একটা উদাহরণ হচ্ছে বিটকয়েন ব্লকচেইন। বিটকয়েন একটা ক্রিপ্টোকারেন্সি যা কোন একটা ব্লকচেইন ব্যবহার করে পরিচালিত হয়।

ব্যাংকের যাবতীয় লেনদেন রেকর্ড করার জন্য সকল শাখায় একটা বড় সাইজের খাতা থাকে। আর যে ব্যাংকগুলো ব্যাংকিং সফটওয়্যার ব্যবহার করে, তাদের এই রেকর্ড থাকে ডেটাবেইজে। হয়তো, সেই পুরানো খাতাতেও থাকে। এই বড় সাইজের খাতাটাকে বলে লেজার। তো একটা ভ্যালিড ট্রানকেজশানের জন্য অবশ্যই ব্যাংকের লেজারে সেটার এন্ট্রি থাকতে হবে। ব্লকচেইন এরকম একটা লেজার, যেখানে পাশাপাশি একটার পর একটা এরকম অনেকগুলো ব্লক থাকে। প্রত্যেকটা ব্লকের ভিতর থাকে একটা সময়ে মাঝে সারা পৃথিবীতে যত ট্রানজেকশান হয়েছে সেটার সকল ডেটা। এই ডেটা ওপেন কিন্তু এনক্রিপ্টেড অর্থাৎ সবাই দেখতে পারবে এই ডেটা কিন্তু পড়তে গেলে প্রাইভেট কী লাগবে। অর্থাৎ আপনি যদি এখানে ট্রাঞ্জেকশান করে থাকেন তাহলে শুধুমাত্র আপনি এখান থেকে আপনার ট্রানজেকশনের সকল তথ্য সেটার প্রাইভেট কী ব্যাবহার করে পড়তে পারবেন, অন্য কেউই পারবেনা। তবে মানুষ যেটা দেখবে তা হল ট্রানজেকশনের পরিমাণ। তবে কার অর্থ কার কাছে গিয়েছে সেটা এভাবে জানা যাবেনা। কেননা শুধুমাত্র এড্রেস দিয়ে চলে যাবে টাকা। কোন পরিচয় থাকবেনা।

নিচের ছবিতে দেখা যাবে একটা ট্রানজেকশান দেখতে কেমন। ব্লকচেইনের প্রত্যেকটা ব্লক সম্পূর্ণ অপরিবর্তনীয়। একবার চেইনে একটা ব্লক যোগ হয়ে গেলে সেটাতে কোন প্রকারের পরিবর্তন অসম্ভব। ব্লকগুলো পাশাপাশি তাদের সৃষ্টির ক্রমানুসারে বসে। প্রত্যেকটা ব্লক তার আগে কোন ব্লক আছ সেটা জানে। এভাবে একটা ব্লকের সাথে আরেকটা কানেক্টেড। ব্লকচেইন ডিস্ট্রিবিউটেড এবং ডিসেন্ট্রালাইজড সিস্টেম, অর্থাৎ সারা পৃথিবীতে বলতে গেলে একই ব্লকচেইনের সব ইউজার বা ক্ষেত্রবিশেষে বিশেষ ইউজারদের কাছে একেবারে কার্বন কপি আছে। কাজেই একটা বা শ-খানেক সার্ভার বা কম্পিউটার একসাথে নস্ট হয়ে গেলেও ব্লকচেইনের কিছুই হবেনা।

ক্রিপটোকারেন্সিঃ

আমাদের প্রচলিত মুদ্রার মত ক্রিপ্টোকারেন্সি ও এক প্রকার মুদ্রা বা বিনিময় মাধ্যম। অর্থাৎ প্রচলিত মুদ্রা যেমন, ডলার, পাউন্ড, টাকা ইত্যাদি দিয়ে যে কাজ করা যায়, ক্রিপ্টোকারেন্সি দিয়েও সেই একই কাজ করা যায়। ব্লকচেইন টেকনোলজির মাধ্যমে লেনদেনের জন্য এই ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবহার করা হয়। এইরকম মুদ্রা অনেক আছে, যেমন বিটকয়েন, বিটক্যাশ, মোনেরো,  লাইটকয়েন ইত্যাদি। আমাদের মুদ্রা যেমন, ডলার, পাউণ্ড, টাকা ইত্যাদির দাম বিভিন্ন সময় ওঠানামা করে, এগুলোর ক্ষেত্রেও তাই, অর্থাৎ ক্রয়/বিক্রয় মূল্য ওঠানামা করে।
jr. member
Activity: 233
Merit: 1
October 07, 2018, 11:25:46 PM
newbie
Activity: 280
Merit: 0
October 07, 2018, 09:32:38 PM
আমাদের ১ টাকা ২ টাকা ও ৫ টাকার কয়েনের মতো এটিও একটি কয়েন কিন্তু এটা শুধু নামের ক্ষেত্রেই কয়েন কারন এই কয়েন টি ফিজিক্যালি দেখা যায় না, ধরা যায় না, ছোয়া যায় না বা আপনার ওয়ালেট বা পকেটে-ও রাখা যায় না, কিন্তু এই কয়েন দিয়েও আপনি চাইলে টাকা বা ডলারের মতো সবকিছুই কিনতে পারবেন যদি আপনার সেলার বিটকয়েন সাপোর্ট করে, আসলে বিটকয়েন হল এক প্রকার ভার্চুয়াল কারেন্সি। এটি আমাদের সাধারণ টাকার বা ডলারের মতই। যদিও বাংলাদেশে এখনও বিটকয়েন লেনদেন বৈধতা পায় নাই । বিটকয়েন বাজারে অনেক বছর যাবতই আছে। কিন্তু তারপরেও অনেকেই এই বিটকয়েন সম্পর্কে তেমন কিছু জানেন না তাই তাদের কে বিট কয়েন সম্পর্কে একটি পরিস্কার ধারনা দিতেই আমার আজকের এই প্রচেস্টা ।

আসলে কি এই বিটকয়েন ?

খুব সহজে বললে, বিটকয়েন হলো ডিজিটাল কারেন্সি যা এনক্রিপশন লেয়ারের মাধ্যমে সুরক্ষিত থাকে তাই এগুলোকে সাধারণত ক্রিপ্টোকারেন্সিও বলা হয়ে থাকে। আমরা যে টাকা বা ডলার দিয়ে কেনাবেচা করি তা প্রিন্ট করতে হয়, তৈরি করতে হয়। বিটকয়েনও তৈরি হয়। তবে নরমাল টাকার মত না। কারণ বিটকয়েন প্রিন্ট করতে হয় না। বিটকয়েন তৈরি হয় বিশাল বিশাল অঙ্ক সমাধান করার মাধ্যমে।বিটকয়েন মাইনিং এর মাধ্যমে  এখন অনেকে চিন্তা করছেন যে ভার্চুয়াল অর্থের মধ্যে অঙ্কের সমাধান কেন করা লাগবে। আমি এইগুলো সবই আজকে আপনাদের সাথে আলোচনা করবো ।

বিটকয়েনের প্রকারভেদ ?

“বিটকয়েনে অল্প ফি দিয়ে দ্রুত লেনদেন করা সম্ভব” -এটা হয়তো শুনে থাকবেন কিন্তু বর্তমানে বিটকয়েনের ব্যাপক জনপ্রিয়তার কারনে নেটওয়ার্কে সমস্যা হচ্ছে। ফলে লেনদেনগুলো কনফার্ম হতে আধা ঘন্টা থেকে এক ঘন্টা লাগছে আর মাইনার ফি অনেক বেড়ে গেছে। কম ফি দিলে আপনার ট্রানজেকশন কনফার্ম হতে অনেক সময় লাগবে, অথবা হবেই না।

এই সমস্যা দূর করার জন্য মাইনাররা বিটকয়েনকে আপগ্রেড করে ১লা আগস্ট ২০১৭ হতে বিটকয়েন ২টি ভাগে বিভক্ত করেছে ,একটি আগের পুরনো বিটকয়েন আরেকটি বিটকয়েন ক্যাশ ১৩ নভেম্বর ২০১৭ এই বিটকয়েন ক্যাশ নেটওয়ার্ক আপগ্রেড করা হয়।

কীভাবে কাজ করে এই বিটকয়েন ?

পৃথিবীর সব অর্থ মানে টাকা , ডলার বা যে কোন মুদ্রাই হোক এর একটি নিয়ন্ত্রণ সংস্থা আছে। এই কাজটি সাধারণত সরকার করে থাকে। কিন্তু আপনি জেনে অবাক হবেন যে বিটকয়েন এর কোন এরকম সংস্থা নেই। বিটকয়েন পুরোটাই পাবলিক। কেউ বিটকয়েন কে নিয়ন্ত্রণ করে না। বিটকয়েন নিজেই নিজের কাজ করতে থাকে।

আপনার কাছে যখন বিটকয়েন থাকবে তখন এই বিটকয়েন আপনার ঘরে রাখা মূল্যবান জিনিস এর মতই কাজ করবে। কারণ আপনি যখন বিটকয়েন এর মালিক হবেন তখন আপনার কাছে একটি গোপন কোড থাকবে। ঐ কোডের ভিতরেই বিটকয়েন এর সব কিছু থাকে। অর্থাৎ কেউ যদি ঐ কোড পেয়ে যায় তাহলে সেই বিটকয়েন এর মালিক।

এই কোড অনেকে অনলাইন সার্ভিস যেমন-কয়েনবেস এ সংরক্ষণ করে। তবে যারা অনেক বেশি বিটকয়েন নিজে কার করে তারা সাধারণত এই কোড নিজের কাছে রাখে। নিজের কাছে রাখার  সময়ও সাবধান থাকতে হয় অনেক। কারণ কেই এই কোড পেয়ে গেলে এই বিটকয়েন ফেরত আনার কোন উপায় নেই।

তবে সবচেয়ে বড় ব্যাপার  বিটকয়েন দিয়ে কেউ কখন জালিয়াতি করতে পারবে না। কারণ বিটকয়েন এ কার কাছে কত বিটকয়েন আছে তা সবাই দেখতে পারে। কিন্তু এটা দেখতে পারলেও ঐ বিটকয়েন এর মালিক আসলে কে তা বের করা সম্ভব না। কারণ আমি আগেই বলেছি সেটি হল কার কাছে বিটকয়েন থাকলে তার কাছে শুধু মাত্র একটি সংখ্যা থাকে। তাই বিটকয়েন আদান প্রদান এর বিষয়টি সবাই দেখতে পারলেও ঐ বিটকয়েন এর মালিক আসলে কে তা বোঝা সম্ভব নয়।

বিটকয়েন নিয়ম-নীতি ও মূল্য নির্ধারন ।
আপনি জেনে অবাক হবে যে আজ ঠিক এই মুহুর্তে (08.10.18  8:33 AM ) সময় ১ বিটকয়েন এর দাম 6,560.01 US Dollar  ডলার বা 5,44,480 টাকা।
copper member
Activity: 630
Merit: 420
We are Bitcoin!
October 07, 2018, 05:02:47 PM
~
Archive
Apni janen apni amar post er copy korsen. Jokhon mod janbay tokhon immediately ban khaben. Please remove the post.
newbie
Activity: 280
Merit: 0
October 07, 2018, 12:09:22 PM

সাম্প্রতিক সময়ে আমি লক্ষ্য করেছি অনেক নতুন মেম্বাররা এখানে আছে যারা সব নিয়ম জানে না আবার অনেকেই অনেক নিয়ম জানে ।  এবং আমি স্বভাবত তাদের দোষ দেই না যেহেতু সব নির্দেশনা এখানে লিখা হয় না এবং যেগুলো লিখা হয় তাও আবার মেম্বারদের দ্বারা উপেক্ষিত । যারা মনোযোগ দেয় না বোর্ডগুলোর নিয়মগুলোতে। আশাকরি তারা অবশ্যই মনোযোগ দিবে, যেখানে আমি এবং আরও অনেকে এই ফোরামের নতুন নিয়মগুলো ধীরে ধীরে  তুলে ধরার চেষ্টা করব।
newbie
Activity: 210
Merit: 0
October 07, 2018, 11:45:27 AM
যদি বিটকয়েনের মূল্য বৃদ্ধি পায় অদূর ভবিষতে বিটকয়েনের ক্ষুদ্র একটি অংশ একটি টয়োটা পাজোরো কেনার জন্য যথেষ্ট হতে পারে। প্রতি বিটকয়েন ১০০ মিলিয়ন ভাগে ভাগ করা যাবে, যেটিকে ‘সাতোশি’ বলে। সুতরাং, সর্বমোট বিটকয়েন একক হবে ২,১০০,০০০,০০০,০০০,০০০ঃ ২.১ কোয়াড্রিলিয়ন অথবা ২৫০.৮৯৯ বা ২৫০.৯ । যেটি কিনা কয়েকটি কারণে হতে পারে। তেমনি বিটকয়েনের দাম যতই বৃদ্ধি পাচ্ছে তার চাহিদা ততই বেড়ে যাচ্ছে ‌........
newbie
Activity: 280
Merit: 0
October 07, 2018, 11:34:46 AM
আমাদের অনেকেরই নতুন মেরিট সিস্টেম জানা থাকলেও চলুন এক নজরে অতি মূল্যবান মেরিট সিস্টেমটা খেয়াল করি ।😍😍
Brand new: 0
Newbie:   0
Jr Member: 1
Member: 10
Full Member: 100
Sr. Member: 250
Hero Member: 500
Legendary: 1000
এই প্রক্রিয়া অনুসরণ করলেই বুঝতে পারবেন কে কোন অবস্থানে আছেন।
newbie
Activity: 14
Merit: 1
October 07, 2018, 03:05:48 AM
ICO সম্পর্কে বিস্তারিত !

ICO সম্পর্কে অনেক লেখা আছে ফোরামে। তারপরেও অনেকের বুঝতে সমস্যা হওয়ার কারনে আজকে বিস্তারিত এই বিষয়ে লিখবো। বাংলাতেও অনেক পোস্ট আছে কিন্তু বেশির ভাগ সরাসরি ইংরেজির বাংলা গুগল ট্রান্সলেট। যা থেকে অনেকেরই হয়তো বুঝতে সমস্যা হচ্ছে।

অনেকেরই ডিমান্ড ICO এর উপরে ফুল ইনফরমেশন জানার। বেসিকেলি ICO কি এবং এর উপরে আমাদের ইনভেস্ট করা উচিৎ কি না। তো ICO এর উপরে আপনাদের জিজ্ঞার প্রায় সকল বিষয় সহজ ভাষায় তুলে ধরার চেষ্টা করবো।

ICO হচ্ছে initial coin offering. যখনই কোনো কোম্পানি চালু হয় মাকের্টের ভিতরে, কোনো ক্রিপটোকারেন্সি নিয়ে আসার প্ল্যান করা হয়, তার পিছনে একটা মোটিভ থাকে।  ঐ কোম্পানির কয়েন/টোকেন কে মাকের্টে আনার জন্য, এর ডেভেলোপ এর জন্য. যা খরচ হয় তার পরিমান অনেক বেশি। এই জন্য কোম্পানি নিয়ে আসে initial coin offering (ICO).
কোম্পানি তাদের আইডিয়া, মোটিভ সবার সামনে উপস্থাপন করে। ”যেমন কোম্পানির ভাষায়, আমরা এখন এমনটা করতে চাচ্ছি এবং আমাদের কয়েন এর মুল ০.১ ডলার। যদি আপনারা এখনই এই কয়েন নিতে চান তাহলে এই পরিমান টাকায় এতো পরিমান কয়েন দিবো, সাথে থাকবে ২০/৩০ পারসেন্ট বোনাস। কারন আপনার এই কোয়েনের ইনভেস্টমেন্ট, কোয়েনের ডেভেলোপ করতে সাহায্যে করেছেন। আর আপনারা এমন সময় ইনভেস্ট করেছেন যখন মাকের্টে এই কোয়েন কে কেউ চিনে না। এই কারনে কয়েন অনেক কম দামে পাবেন যা সামনে গিয়ে অনেক দাম বৃদ্ধি পেয়ে আপনাদেরকে প্রচুর লাভ দিবে।”

উদাহরন হিসেবে বলা যায় ইথারিয়াম এর কথা। ইথারিয়াম কয়েনকে আমরা সবাই চিনি, জানি। এই ইথারিয়াম কয়েনও মার্কেটে  initial coin offering এর সাহায্যে এসেছিলো। ইথারিয়াম বলেছিলো আমরা মাকের্টে এসে কি করতে চাচ্ছি এবং আমাদের সাথে ইনভেস্টমেন্ট করতে চাইলে অতি স্বল্প মুল্যে এই পরিমান কয়েন পাবেন, তাই ইনভেষ্ট করতে হবে। যারা সেই সময় ইনভেস্ট করেছিলো তারা এখন প্রচুর লাভ করেছেন।

মুলতো আইসি হচ্ছে, তারা ফান্ড কালেক্ট করে, তারা কয়েন ডেভোলোপ করে থাকে যেই প্রসেস এ তারা কয়েন নিয়ে আসতে চায়।

এখন আইসিও এর কিছু ন্যাগেটিভ এবং পজেটিভ দিক আছে। এখন প্রতিদিনই প্রায় আইসিও ওপেন হচ্ছে। এর ভিতরে অনেক আইসিও এমন আছে যারা যতোদ্রুত সম্ভব ফান্ড কালেক্ট করে আইসিও ক্লোজ করে দিচ্ছে। এই কারনে আমাদেরকে কিছু বিষয়ের উপরে নজর দিতে হবে আইসিও তে ইনভেস্ট করার আগে। ICO এর মেন ওনার কে, ICO এর মেন মোটিভ কি, ICO যে টোকেন নিয়ে আসছে তা মার্কেটে কেনো নিয়ে আসছে, কি এমন পজিটিভ দিবে মার্কেটে। জানতে হবে তাদের মার্কেটিং স্ট্রাজি কি? তারা কি তাদের কোয়েনকে মার্কেটে নিয়ে আসার জন্য প্রস্তুত কি না তা আমাদের মাথায় রাখতে হবে।
আরও সহজ ভাষায় যদি বলা যায় ICO এবং স্টক এক্সেন্জ এর ভিতরে কিছুটা মিল আছে। স্টক এক্সেন্জের মাধ্যমে বিভিন্ন কোম্পানি যেমন ফান্ড এর জন্য শেয়ার ছাড়ে ঠিক তেমন ক্রিপটো রিলেটেড কোম্পানি আইছিও এর মাধ্যমে ক্রিপটোকারেন্সির জন্য ফান্ড কালেকশন করে থাকে।

আশাকরি আপনারা বুঝতে পেরেছেন। কোথাও যদি বুঝতে না পারেন, তাহলে সেই অংশটুকু উল্লেখ করে প্রশ্ন করুন। যদি  আপনাদের সারা পাই তাহলে ক্রিপটো রিলেটেড আরও অনেক বিষয় আছে যা সহজ ভাষায় আপনাদের সামনে উপস্থাপন করবো।
jr. member
Activity: 826
Merit: 1
October 07, 2018, 12:03:37 AM
আমি মেম্বার হতে চাই এজন্য নাকি ১০ টা মেরিট দরকার হয় কিন্তু আমি কিভাবে কি করলে মেরিট পাবো?

ফোরামে বেশি বেশি অ্যাক্টিভ থাকুন। প্রতিদিন বিটকয়েন সম্পর্কে ভালো উন্নত মানের হেল্পফুল পোস্ট করুন তাহলে আপনার activity বাড়বে আপনি মেরিট পাবেন।
আজকাল সকলেই মেরিটের পিছনে দৌড়াচ্ছে ।কিন্তু কেউ ফোরামে কোন ভাল বা হেল্পফুল পোষ্ট করছে না । মেরিট মানে যোগ্যতা । আর যোগ্যতা অর্জন করতে হয়। আপনি একটি হেল্পফুল পোষ্ট দেন দেখবেন সেই পোষ্টে যদি কেউ উপকৃত হয় তবে সে এমনি তেই আপনাকে মেরিট দিবে ।  rank বাড়ানো চেয়ে আপনাকে আপনার কাজ ঠিকঠাক মত জানতে হবে।
member
Activity: 532
Merit: 15
Trader
October 05, 2018, 08:43:44 PM
বিটকয়েন সম্পর্কে কিছু কথা
এখানে যারা আছেন আমার মনে হয় অধিকাংশরাই বিটকয়েন সম্পর্কে সম্পূর্নভাবে জানেন না। তাই আপনাদের জন্য এই পোস্ট।
         বিটকয়েন কি?
বিটকয়েন হলো ভার্চুয়াল মূদ্রা। যা অনলাইন ক্রিপ্টোকুয়ারেন্সি মার্কেটেরর মদ্ধে জনপ্রিয় এবং সবচেয়ে বেশি মূল্যের কয়েন। এটি মাত্র ৬ টি দেশ বাদে সব দেশেই বৈধতা পেয়েছে। তবে আমার মনে হয় খুব সিগ্রহই অই ৬ টি দেশেও বৈধতা লাভ করবে।
       বিটকয়েনের আবিষ্কার
অস্ট্রেলিয়ান উদ্যোক্তা ক্রেগ স্টিভেন রাইট আসলে বিটকয়েনের জনক, যিনি সাতোশি নাকামাতোর নাম ধারণ করেছিলেন।
ডিজিটাল সম্পদ কেনাবেচা ও লেনদেনের জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম বিটকয়েন। এর সূচনা পর্ব থেকেই প্রযুক্তি দুনিয়ায় সাতোশি নাকামাতো এক রহস্যের নাম। ২০০৮ সালে বিটকয়েন তৈরির পরপরই তার অধিকারে সর্বমোট বিটকয়েন ছিল প্রায় ১০ লাখ।  তখন ১ বিটকয়েনের মূল্য ছিলো ০.১৬$ যা ২০১৭ তে ২০,০০০$ ছাড়িয়েছি। এখন ৬-৭ হাজারের মদ্ধে আছে। তবে সাতোশি নাকামাতো সর্বধা নিজের পরিজয় গোপন রাখতে চেয়েছেন। তবে শেষ পর্যন্ত সবাই জানতে পেড়েছে সাতোশি নাকামাতো বিটকয়েনের জনক।এবং সে নিজেই তা শিকার করেছে। কিন্তু এত দিন কেন চুপ করে ছিলেন ক্রেগ? এ প্রশ্ন অনেকের মনেই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে। তার উত্তর জানাচ্ছেন ক্রেগ নিজেই, ‘আমি কাজ করে যেতে চাই। আমি সেটাই করে যেতে ইচ্ছুক, যা আমি চাই। আমি কোনো অর্থ চাই না। আমি কোনো খ্যাতি চাই না। আমি কোনোরকম বন্দনা চাই না। আমি শুধু আমার একার মতো থাকতে চাই।’

টিভি সাক্ষাৎকারের শেষে ক্রেগ আরো জানিয়ে দেন, তিনি তাঁর কাজের জন্য কারো কাছ থেকে কোনো সম্মাননা, অর্থ কিংবা কোনো সাহায্য চান না। একই সঙ্গে তিনি জানিয়ে দেন, টিভি পর্দার কিংবা কোনো সংবাদমাধ্যমের সামনে এই তাঁর শেষ উপস্থিতি। বিটকয়েন টক ও সেই তৈরি করেছে।
member
Activity: 532
Merit: 15
Trader
October 05, 2018, 08:20:52 PM
সকল বাংলাদেশি ইউজারদের উদ্দেশ্যে বলছি
সবাই কেমন আছেন, আসা করি ভালো আছেন। এখন বিটকয়েন টক ওয়েবসাইটে প্রায় অর্ধেক ইউজার বাঙালী, এখানে সবাই এসেছেন ইনকাম করতে। এক সময় ছিলো যখন নাকি এখানে বাঙালী ইউজার খুজেই পাওয়া যেতো না। কিন্তু এখন অর্ধেকের বেশি বাঙালী।  এখানে বাঙালী যারা আছে আমি মনে করি তার ৯০% লোক বিটকয়েন সম্পর্কেই ভালোভাবে জানে না। অথর্চ এখানে এসেছে ইনকাম করতে কেও আসেছে  শখের কারনে, কেও এসেছে টাকার অভাবে। সেটা কোনো ব্যপার না, টাকা সবারি দরকার আসতেই পাড়ে। কিন্তু এটা ভেবে খারাপ লাগে যে কেও কেও নাকি মাত্র ৪/৫ হাজার টাকার জন্য অন্যকে এই সাইটে কাজ করা শিখিয়ে দিচ্ছে। অথর্চ মনে হয় সে নিজেই ভালো কিছু জানে না। ৪-৫ হাজার টাকার লোভে পড়ে নিজে নিজেকে বাশ দিচ্ছে। কারন বাউন্টি এয়ারডপে কিন্তু পার্টিসিপেট বেশির কারনে তারা বেশি টোকেন শেয়ার করবে না। পার্টিসিপেট ১ জন হলেও যেত টোকেন শেয়ার করবে ১০০০০ হলেও সমানই টোকেন শেয়ার করবে। সে ক্ষেত্রে এখন দেখা যায় প্রত্তের বাউন্টির মদ্ধে মিনিমাম ২০০০ পার্টিসিপেট জয়েন হয়। এ ক্ষেত্রে সবাই ঠিকই কাজ করে কিন্তু কেও তার ন্যাজ্য টাকা পায় না। যা পায় তা এক্সচেঞ্জ করতে পাড়ে না। অল্প টোকেন এক্সচেঞ্জার নেয় না। তাই সকলকেই বলছি সতর্ক হন। এরকম ৪-৫ হাজার টাকার জন্য নিজে নিজেই বাশ খাইয়েন না।
jr. member
Activity: 448
Merit: 1
October 05, 2018, 07:41:36 AM
আমি মেম্বার হতে চাই এজন্য নাকি ১০ টা মেরিট দরকার হয় কিন্তু আমি কিভাবে কি করলে মেরিট পাবো?

ফোরামে বেশি বেশি অ্যাক্টিভ থাকুন। প্রতিদিন বিটকয়েন সম্পর্কে ভালো উন্নত মানের হেল্পফুল পোস্ট করুন তাহলে আপনার activity বাড়বে আপনি মেরিট পাবেন।
member
Activity: 868
Merit: 15
October 03, 2018, 07:23:26 PM
SwapCost e korte paren. Ami lenden korchi and valo e mone hoise. But, ja e koren nij dayitte. Lol.
এই সাইটে পার্সোনাল ইনফরমেশন, আই মিন KYC ডকুমেন্ট প্রভাইড করতে হবে কি? যদি করতে হয় তাহলে মুশকিল! এমনি BTC, ইথেরিয়াম এই গুলা বাংলাদেশী টাকাতে সেল দিতে গেলে যেন নিজের চুল ছিঁড়তে মন চায়। দুই একজন ট্রাষ্টটেড কয়েন কেনাবেচা-কারি ছাড়া কাউকে পাই না। আবার তাদের সাথে পরিচয় অনলাইনের মাধ্যমে, যে কারণে অলওয়েজ রিস্ক নিয়েই ডিল করতে হয়। প্রয়োজনের সময় যেন পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়। ইন্ডিয়া, ইন্দোনেশিয়া এইসব দেশে এমন প্রবলেম নাই। কিন্তু এই আবার এমন ডিজিটাল দেশ আমাদের যে, ফোরামের ট্রাষ্টটেড এসক্রো সার্ভিস দানকারীদের মাধ্যমে BTC টু Paypal করিয়ে দেশের ব্যাংকে ভাঙ্গাবো!


অনলাইনে যে কোন ব্যক্তির সাথে লেনদেনই রিস্কি। তাই লেনদেনের ক্ষেত্রে ভাল কোন Exchange Site ব্যবহার করাই শ্রেয়।
যেহেতু বাংলাদেশে BTC, ETH সরাসরি Exchange করা যায় না, তাই আপনি প্রথমে BTC থেকে PM তে কনভার্ট করে, বাংলাদেশি যে কোন সাইট থেকে PM টু বিকাশ বা রকেটে নিতে পারেন।

Suppose ami $1000 worth of BTC convert korbo Perfect Money te, then kemon exchanging fee kaatbe?  Ar emon trusted site jodi thake ja apnio use koresen then kindly amai site links gula PM koren. Thanks in advanced!  Smiley
PM এ link নিবেন না ভাই। ফাইসা যাইবেন কইয়া দিতাছি। BitcoinTalk ঠগ জালিয়াতে ভইরা গ্যাসে। সব সাধু সাইজা বইসা আসে। এইখানে post দিতা কন। জালি link দিলে ধরা খাইব। কারো profile এ লাল -ve Trust পাইলে avoid করেন।


Yes ami aware asi bisoitai, ei jonnoi Escrow service sara forum e lenden kora thik na. Kintu eitaao mone raakhte hobe jara onek din dhore DT member tara new kono member jodi valo rokom er service koraar desire kore or free te already diye thake taader ke simple matter er kaarone maairaa disse laal bati. eitaa DT member der power er misuse. Je kono desh er public houk na keno ami deksi eita khub choltese.


invincible49 আমিও ঠিক এরকম টাই দেখছি, বিটকয়েন নিয়ে ট্রেড করচছি প্রায় ২ বছর হচ্ছে, আমি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে লেনদেন বাইরেই করেছি সেল করার ক্ষেত্রে আমি লোকাল সেল করেছি সবথেকে বেশি, এখন পর্যন্ত তেমন কোন সমস্যা হয়নি বাংলাদেশী অনেকেই আছে বাই-সেল এর ক্ষেত্রে অনেক ভালো সার্ভিস দেয়, লোন বা বাইসেল করতে চাইলে mdonliner এর সাথে লেন্দেন করতে পারেন আসা করি কোন সমস্যা হবে, কোন সমস্যা থাকলে অল্প করে লেন্দেন করতে পারেন।
jr. member
Activity: 30
Merit: 2
October 02, 2018, 01:45:23 PM
jr. member
Activity: 364
Merit: 4
October 02, 2018, 06:42:05 AM
jr. member
Activity: 448
Merit: 1
October 02, 2018, 02:55:15 AM
আচ্ছা ভাইয়েরা মেরিট কিভাবে বাড়েHuh?


আপনাকে মেরিট পেতে হলে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। যারা অর্জিত তাদের মেরিট দেওয়া হয়। আপনি বিভিন্ন পোস্টের মন্তব্য পড়ুন এবং তারপরে আপনি মন্তব্য করুন এছারাও আপনি যা জানেন তার ওপর ভিত্তি করে একটি সৃজনশীল পোস্ট তৈরি করুন কোন ও spamming বা কপি পোস্ট করবেনা। এছারাও আপনি একটি গঠনমূলক পোস্ট  ও ফোরাম নিয়ম সম্পর্কিত একটি ইনফগ্রাফিক পোস্ট শিক্ষামূলক পোস্ট করলে আপনি মেরিট পেতে পারেন ।
Jump to: